ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠন করেছে বিএনপি। তবে সরকারে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে মাত্র দুই নেতাকে স্থান দেওয়ায় বাকি মিত্র দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ ও অভিমানের সৃষ্টি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আগামী বুধবার বা বৃহস্পতিবার এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এরই মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিএনপির নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে চারটি জোটসহ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ৪২টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এসব দলের মধ্যে ১১টিকে মোট ১৬টি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। নির্বাচনে বিজয়ের পর শরিকদের মধ্য থেকে দুই নেতাকে প্রতিমন্ত্রী করে জাতীয় সরকার গঠন করা হলেও অধিকাংশ মিত্র দল এখনো কোনো দায়িত্ব পায়নি।
আসন্ন বৈঠকে শরিক নেতারা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও অংশগ্রহণের দাবি জানাবেন বলে জানা গেছে। তাদের প্রত্যাশা, যোগ্যতার ভিত্তিতে আরও কয়েকজনকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি সংসদের উচ্চকক্ষ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, রাষ্ট্রদূত, সরকারি ব্যাংকের পরিচালক এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও করপোরেশনে যোগ্য নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।


