প্রকাশিত সংবাদে শায়খুল ইসলাম জামেয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচার, কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ!

প্রকাশিত: 1:10 PM, October 8, 2020

গত ৭ অক্টোবর দৈনিক সিলেটের ডাকসহ কতিপয় নিউজপোর্টালে “নগরীর শিবগঞ্জে স্কুল ছাত্রকে বলৎকার” শিরোনামের সংবাদের সাথে ভিন্নমতপোষণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়া কর্তৃপক্ষ। জামেয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসেমী স্বাক্ষরিত প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত প্যাডে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্কুল ছাত্র বলৎকারের ঘটনায় হৃদয় (২০) নামক এক লম্পট প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঐ প্রতারক নাকি বলেছে “সে শায়খুল ইসলাম মাদরাসায় পড়ায়”! অথচ ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট নগরীর ১৯নং ওয়ার্ডের রায়নগর দর্জিপাড়াস্থ শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ায় ‘হৃদয়’ নামে কোনো শিক্ষক, ছাত্র বা কর্মচারী কেউই নেই। এমনকি জামেয়ার অতীত বর্তমানের ডকুমেন্টে এ নামের কোনো মানুষের অস্তিত্বও নেই। কোনো প্রতারক যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়াকে আঘাত করে এবং প্রতিষ্ঠানের গায়ে কলংক লেপনের চেষ্টা করে তাহলে পরিণাম ভালো হবে না! আমরা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি ‘হৃদয়’ নামক অপকর্মকরীর সাথে শায়খুল ইসলাম জামেয়ার ন্যুনতম কোনো সম্পর্ক নেই, সে মিথ্যা বলেছে! আমরা এহেন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সবাইকে কোনোপ্রকার অপপ্রচার বা মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হবার আহবান জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে শায়খুল ইসলাম জামেয়া কর্তৃপক্ষ আরো বলেন, কোনো অপরাধীর সাথে যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জড়ানোর আগে অবশ্যই ঐ পত্রিকা বা প্রতিবেদককে জরুরি ছিল প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা! কিন্তু এই সংবাদে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য না নিয়ে একতরফা সংবাদ পরিবেশনে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ঐ প্রতিবেদক এমন অপপ্রচারে জড়িত কিনা তা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা দরকার। জামেয়া কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্টভাবে বলেন ‘হৃদয়’ নামক কোনো লম্পটের সাথে শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়ার যেমন কোনোপ্রকার সম্পর্ক নেই, ঠিক তেমনি সিলেট নগরীর রায়নগর দর্জিপাড়াস্থ সৌরভ-৫২, জমশেদ মঞ্জিলে অবস্থিত একমাত্র ক্যাম্পাস “শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল জামেয়া” ছাড়া আর কোথাও কোনো শাখা বা ক্যাম্পাস আমাদের নেই। শহরতলীর বালুচরে এমন নামে কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলেও সেটার সাথে আমাদের নুন্যতম কোনো সম্পর্ক নেই! তবে বালুচর এলাকার বিশিষ্টজনেরা বলেছেন “শায়খুল ইসলাম” নামে বৃহত্তর বালুচরে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। তবে অপরাধ যেই করুক, মিথ্যা পরিচয়ে নয়, আমরা অপরাধীর বিচার চাই তার সঠিক পরিচয় সনাক্তকরণের মাধ্যমে।