ধর্ষণের ইন্ধন যুগিয়ে শুধু শাস্তির আইন প্রণয়ন করলে কোন লাভ হবে না

প্রকাশিত: 10:06 AM, October 15, 2020

ধর্ষন প্রসঙ্গ, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেন-

ইদানিং হঠাৎ করে দেশে ধর্ষনের হিড়িক পড়ে গেছে। তাও আবার বলতে গেলে প্রায় পুরোটায়ই ক্ষমতাসীন দলের সংলিষ্টতা রয়েছে। এক পর্যায়ে দেশের জনগন ফুসে উঠে। জনগনের প্রবল চাপের মূখে শেষ পর্যন্ত সরকার ধর্ষনের বিরুদ্ধে একটি অধ্যাদেশ জারি করতে বাধ্য হয়। যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছ।

এটাকে সাধুবাদ জানাতে কার্পণ্য করতে চাই না। তবে এ জাতীয় আইন থেকে তখনই উপকৃত হওয়া যাবে যখন এ ধরনের অপরাধের উৎসসমূহ বন্ধ করা হবে। উৎস বন্ধ না করে বরং তাতে আরো ইন্ধন যুগিয়ে শুধু শাস্তির আইন প্রণয়ন করলে কোন লাভ হবে না বা কাংখিত ফল আসবেনা।

দ্বিতীয়তঃ ধর্ষন মানে বল প্রয়োগ করে ব্যভিচার করা। এ আইনের দ্বারা পরোক্ষ ভাবে এ বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় যে, উভয়ের সম্মতিতে যদি ব্যভিচার হয়, তা’হলে কোন অপরাধ নেই। এটা একটি মুসলিম দেশে মেনে নেয়ার কোন অবকাশ নেই।

পবিত্র কুরআনে ব্যভিচার সংক্রান্ত শাস্তির বিধান অত্যন্ত সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ধর্ষনের সাথে জিনা-ব্যভিচাররের শাস্তি এবং এর উৎসসমূহ বন্ধ করার দাবিতে সমমনা ইসলামি দলসমূহ ৬ দফা দাবি নিয়ে আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বাদ জুমুআ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে এক গণমিছিলের ডাক দিয়েছ।

এটা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা বা রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজির জন্য নয়, বরং এটা ঈমানের দাবি।
কুরআনের অকাট্য বিধানের বাস্তবায়ন। সর্বোপরি পাশ্চাত্যের উশৃংখল ও বেসামাল সমাজ ব্যবস্হা থেকে দেশ-জাতিকে রক্ষা করার জন্য। আসুন! ঈমানের এ দাবি আদায়ে সবাই এ গণমিছিলে শরিক হই।