জীবনের বাঁকে বাঁকে ইখলাস ও লিল্লাহিয়্যাতের নজরানা পেশ করেই আজকের আল্লামা কাসেমী

প্রকাশিত: 6:19 PM, November 17, 2020

জীবনের বাঁকে বাঁকে ইখলাস ও লিল্লাহিয়্যাতের নজরানা পেশ করেই আজকের আল্লামা কাসেমী

শাহবাগীরা যখন নবী মুহাম্মাদ সা. এর পবিত্র সত্বায় উপুর্যপুরী কালিমা লেপন করে যাচ্ছিলো মুফতী আমিনী, শায়খুল হাদীসের অনুপস্থিতে নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ছিলো ইসলামী অঙ্গন, তখনই তিনি ‘ঈমান বাঁচাও দেশ বাঁচাও” ব্যানারে দেশ ও ঈমান রক্ষার আন্দোলনে নামেন। এর কিছুদিন পরেই আল্লামা শাহ আহমাদ শফী রহ. যখন হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে আন্দোলনের ডাক দেন।

আল্লামা কাসেমী সাথে সাথে ঈমান বাঁচাও দেশ বাচাঁও ব্যানার স্থগিত করে সকলকে হেফাজতের আন্দোলনে নেমে পড়ার ঘোষনা দেন। তখন তিনি ছিলেন সে আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। কেন্দ্রীয় সভাপতি পদ রেখে হলেন হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সভাপতি।

তিনি যদি পদের লোভী হতেন কখনই কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ ছেড়ে একটা মহানগরের সভাপতি হতেন না। একটা সময় এমন ছিলো চট্টগ্রামের উলামায়ে কেরামদেরকে ঢাকার উলামারা ইলমী যোগ্যতাসম্পন্ন মনে করলেও দেশ ও ঈমানী আন্দোলনে তাদেরকে পাশে পেতেননা।

আল্লামা কাসেমী তখন চট্টগ্রামের শক্তি ও ঢাকার শক্তির মাঝে একটা সেতু বন্ধন তৈরী করে দিলেন। সাথে সাথে সারা দেশে ঈমানী আন্দোলনের বারুদ জ্বলে উঠলো। হেফাজতের এই উত্থানের পিছনে যাদের অবদান রয়েছে আল্লামা কাসেমী তাদের অগ্রগামী।

কাজেই আল্লামা কাসেমী উম্মাহর সম্পদ। এ জনপদের ঈমানী আন্দোলনের সর্বশেষ ভরসার স্থল। দেওবন্দীয়ত যার হাতে নিরাপদ। যারা তাকে দলীয় দৃষ্টিভংগীতে বিবেচনা করে তারা হয়তো ব্যাক্তি কাসেমীর লিল্লাহিয়্যাত সম্পর্কে অজ্ঞ নয়তোবা জ্ঞানপাপী।

জীবনের বাঁকে বাঁকে ইখলাস ও লিল্লাহিয়্যাতের নজরানা পেশ করেই আজকের আল্লামা কাসেমী। হিংসে করে কোন লাভ নেই। তিনি স্বমহিমায় আলো ছড়াবেনই। আর এ আলোয় আলোকিত হবে এজনপদের ঈমানী অঙ্গন।

লেখেছেন: শফিক রহমান।