দুধ চা তে নাকের সর্দি দেয়ায় গণ পিটানি দেয়া হলো চা বিক্রেতাকে

কুতুবখালি যাত্রাবাড়ীতে ‘দুধ চায়ে কনডেন্স মিল্কের সাথে নাকের সর্দি ব্যবহার করে’ এমন অভিযোগ উঠায় চা বিক্রেতা ইদ্রিস গাজীকে সোমবার সকাল ১০টায় গণ পি-টা-নি দেয় স্থানীয় কিছু তরুণরা।

পি-টা-নি শেষে আ-শং-কা-জ-ন-ক অবস্থায় স্থানীয় মুরুব্বীদের তত্ত্ববধানে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ইদ্রিস গাজীকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, এই লোকের সারাবছরই সর্দি থাকে। সে সারাদিন দোকানদারি করে, পাশাপাশি সর্দির স্লেশ্মা কৌটাতে সংগ্রহ করে রাখে। এবং পরদিন সকালে গ্লাসে ক-ন-ডে-ন্স মিল্কের সাথে একত্রিত করে দুধ চায়ে দিয়ে বিক্রি করে।

পাশের দোকালের ফার্মেসীর ডাক্তার বলেন, আমি তার দোকান থেকে কখনই চা খাই না। আমার চায়ের প্রয়োজন হলে মোড়ে গিয়ে খাই। আমি প্রায়ই দেখি সে তার নাকের সর্দি একটি পাত্রে কিছুক্ষণ পর পর জমিয়ে রাখে। আর সকালে সেই কৌটার ময়লার সাথে দুধ মিশায়। তার সাথে ভাল সম্পর্কে আছে বলে আমি ইতিপূর্বে কাউকে বলিনি, তবে তাকে নিষেধ করেছি অনেকবার। কিন্তু সে বলতো, কেউই বুঝবে না। কারণ দুটু নাকি দেখতে একি।

সন্ধ্যায় তার জ্ঞান ফিরলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাকে ষ-ড়–যন্ত্র করে মেরেছে। সে এমন কিছুই করেনি। তবে শারীরিক অবস্থার অ-ব-ন*তিতে তাকে এর বেশি জিজ্ঞাসা বাদ করা যায়নি।

তবে তার দোকানে অ-নু-স-ন্ধা-ন চালিয়ে নাকের সর্দি রাখার সেই ময়লা পাত্রটি পাওয়া যায়। পুলিশ সুপার জানান, ইদ্রিস সুস্থ হলে এর সুষ্ঠ ত*দ*ন্ত করা হবে। এবং সত্যত্যা পাওয়া গেলে আ*ই*না-রূ*প সা*-জা দেয়া হবে।