লকডাউন ঘোষণাকাল থেকেই লকডাউন অমান্য হচ্ছে

প্রকাশিত: 3:16 PM, May 9, 2020

লকডাউন ঘোষনাকাল থেকেই লকডাউন অমান্য হচ্ছে। এর কিছু আয়োজন করেছে সরকার, আর কিছু ক্ষেত্রে অমান্য করেছে জনগন। সরকারেরটা ব্যর্থতা, আযোগ্যতা ও সিদ্ধান্তহীনতা। আর জনগনেরটা দায় পড়ে, পেটের তাড়নায়।। শেষ পর্যন্ত লকডাউন শিথিল হচ্ছে। বুঝতে পারছি, সরকারের প্রস্তুতির হম্বিতম্বি সব বৃথা ছিল। জেলায় জেলায় রাস্তা অবরোধ করে ক্ষুধার্ত মানুষের আহাজারী প্রমাণ করেছে সরকারের অপ্রতুলতা ও আত্নসাতের বাহুল্য।

বার দেখছি রোগী ও মৃতের সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন লকডাউন খুলে দেয়া হচ্ছে। তা’হলে এতদিন কেন সব কিছু বন্ধ রাখার মহড়া দেয়া হল। এ জনদূর্ভোগের দায় কে নিবে? এখন প্রশ্ন আসছে, মসজিদ খুলে দিলে সেখান থেকে কি করোনা ভাইরাস ছড়াবে না? এ প্রশ্ন অবান্তর। রোগ সংক্রমনের জন্য স্হান দায়ী নয়, লোক সমাগম দায়ী। মসজিদে আসলে করোনা ছড়াবে না, কেউ এ কথা বলে নি। আর মসজিদে যারা আসে, তাঁরা হাটবাজারে বা কল-কারখানায় যায়না তা তো নয়। কাজেই মসজিদে আসে এমন লোক যদি করোনায় আক্রান্ত হয়, তা’হলে মসজিদে আসার কারনে আক্রান্ত হয়েছে, এ কথা বলার কোন যৌক্তকিতা নেই। মসজিদে তথা কথিত স্বাস্হ্যবিধি মেনে যেতে হবে, এ নীতিও এখন অবান্তর। কারন ডাক্তার, নার্স,Rab, পুলিশ সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। তারা তো স্বাস্হ্যবিধি মানার চেষ্টা করছে না, তা নয়। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। শতে শতে আক্রান্ত হচ্ছে। ত’হলে এ বিধি একটা সম্ভাবনা নির্ভর।

বলতে গেলে বিজ্ঞানের অনেকটাই বিতর্কিত ও অনুমান নির্ভর। আর নামাজে কাঁধে কাঁধ মিলানো ও কাতার কাছাকাছি করা একটা সুস্পষ্ট বিধান। কাজেই সম্ভাব্য বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে নিশ্চিৎ বিধানের বিপরীত করা শরিয়ত সম্মত হতে পারে না।। এর কিছু আয়োজন করেছে সরকার, আর কিছু ক্ষেত্রে অমান্য করেছে জনগন। সরকারেরটা ব্যর্থতা, আযোগ্যতা ও সিদ্ধান্তহীনতা। আর জনগনেরটা দায় পড়ে, পেটের তাড়নায়।। শেষ পর্যন্ত লকডাউন শিথিল হচ্ছে। বুঝতে পারছি, সরকারের প্রস্তুতির হম্বিতম্বি সব বৃথা ছিল। জেলায় জেলায় রাস্তা অবরোধ করে ক্ষুধার্ত মানুষের আহাজারী প্রমাণ করেছে সরকারের অপ্রতুলতা ও আত্নসাতের বাহুল্য। এবার দেখছি রোগী ও মৃতের সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন লকডাউন খুলে দেয়া হচ্ছে। তা’হলে এতদিন কেন সব কিছু বন্ধ রাখার মহড়া দেয়া হল। এ জনদূর্ভোগের দায় কে নিবে? এখন প্রশ্ন আসছে, মসজিদ খুলে দিলে সেখান থেকে কি করোনা ভাইরাস ছড়াবে না? এ প্রশ্ন অবান্তর। রোগ সংক্রমনের জন্য স্হান দায়ী নয়, লোক সমাগম দায়ী।

মসজিদে আসলে করোনা ছড়াবে না, কেউ এ কথা বলে নি। আর মসজিদে যারা আসে, তাঁরা হাটবাজারে বা কল-কারখানায় যায়না তা তো নয়। কাজেই মসজিদে আসে এমন লোক যদি করোনায় আক্রান্ত হয়, তা’হলে মসজিদে আসার কারনে আক্রান্ত হয়েছে, এ কথা বলার কোন যৌক্তকিতা নেই। মসজিদে তথা কথিত স্বাস্হ্যবিধি মেনে যেতে হবে, এ নীতিও এখন অবান্তর। কারন ডাক্তার, নার্স,Rab, পুলিশ সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। তারা তো স্বাস্হ্যবিধি মানার চেষ্টা করছে না, তা নয়। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। শতে শতে আক্রান্ত হচ্ছে। ত’হলে এ বিধি একটা সম্ভাবনা নির্ভর। বলতে গেলে বিজ্ঞানের অনেকটাই বিতর্কিত ও অনুমান নির্ভর। আর নামাজে কাঁধে কাঁধ মিলানো ও কাতার কাছাকাছি করা একটা সুস্পষ্ট বিধান। কাজেই সম্ভাব্য বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে নিশ্চিৎ বিধানের বিপরীত করা শরিয়ত সম্মত হতে পারে না।