স্পিডবোটে করে পদ্মার চরে নিয়ে গিয়ে, গৃ’হবধু’কে গ’ণ’ধ’র্ষ’ণ, গ্রে’ফতার ৪

প্রকাশিত: 11:52 AM, July 9, 2020

মাদারীপুরে স্পিডবোটে তুলে নিয়ে গৃহ’বধুকে গ’ণধ’র্ষণের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৮টার দিকে শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি থেকে তাদের গ্রে’ফতার করা হয়েছে। মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে সেই নারীকে গ’ণধ”র্ষণ করেছে দু’র্বৃত্তরা। ওই যাত্রীকে শিমুলীয়া ঘাটে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ফেরি থেকে ফুসলিয়ে স্পিডবোটে তুলে পদ্মা নদীর চরের মধ্যে নামিয়ে ৩ বখাটে যুবক দ’লবেধে গ’ণধ’র্ষ’ণ করে বলে স্বীকার করেছে অ’ভিযুক্তরা। গ্রে’ফতারকৃতরা হলেন, স্পিডবোট চালক ফারুক মিয়া (২০) এবং কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের ফকিরকান্দি গ্রামের তনু মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লা (২৪), একই গ্রামের রশিদ মৃধার ছেলে মাহাবুল মৃধা (২৯) ও সামাদ হাওলাদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ হাওলাদার (২৩)। পু’লিশ ও স্বজনরা জানায়, মাদারীপুরের শিবচরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানো শেষে স্বামীর কাছে ফিরছিল ওই গৃহ’বধু।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট থেকে দ্রুত পাড় করে দেয়ার কথা বলে স্পিডবোটে ওঠায় চালক ফারুকসহ মাহাবুল, নুর মোহাম্মদ ও মাসুদ। পদ্মানদীর মাঝপথে তেল শেষ হলে চালক ফারুক স্পিডবোটটি নোঙর করে একটি ট্রলারযোগে তেল আনতে যায়। এ সময় মাহাবুল, নুর মোহাম্মদ ও মাসুদ জোড় করে ওই গৃহ’বধুকে পদ্মার চরে নিয়ে গিয়ে মুখ চেপে গ’ণধ’র্ষণ করে। স্পিডবোট চালক তেল নিয়ে আসলে পালিয়ে যায় তিন বখাটে। পরে ওই গৃহব’ধুকে চালক ফারুক মিয়া তার বাড়িতে নিয়ে আসে। বুধবার সকালে বিষয়টি শিবচর থানা পু’লিশকে অবগত করলে স্পিডবোট চালককে সাথে নিয়ে অ’ভিযানে নামে পু’লিশ। পরে শিবচর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ব’খাটে মাহাবুল, নুর মোহাম্মদ ও মাসুদকে বুধবার রাতে গ্রেফ’তার করা হয়। একই সময় স্পিডবোট চালককেও গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় ওই গৃহ’বধুর স্বামী বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে শিবচর থানায় একটি ধ’র্ষণ মামলা করেছে।