বগুড়ার হাফেজের ধ’ষ’র্ণে শি’শু শি’ক্ষার্থী অ’ন্তঃসঃত্ত্বা

প্রকাশিত: 11:05 PM, July 11, 2020

বগুড়া জেলা নন্দীগ্রাম উপজেলার এক পল্লীতে এক হাফেজের ধ’ষ’র্ণে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিশু তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনা জানা জানির পর থেকে হাফেজ রুহুল কুদ্দুস পলাতক আছে। ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামে। এ ঘটনায় হাফেজ রুহুল কুদ্দুসের দুই ভাতিজাকে আ’টক করেছে পু’লিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধ’র্ষ’ণে’র শিকার শিশুটি এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। স্কুলে যাওয়ার আগে প্রতিদিন সকালে এলাকার অন্য শিশুদের সঙ্গে সেও গ্রামের রুহুল কুদ্দুস (৫৫) এর বাড়িতে আরবি পড়তে যেতো। সেদিন রুহুলের বাড়িতেও পরিবারের লোকজন কেউ ছিল না।

পড়া শেষে সবাইকে ছুটি দিলেও শিশুটিকে ছবক নেবেন (পড়া ধরবেন) বলে রুহুল কুদ্দুস তাকে বসতে বলে। অন্য শিশুরা চলে যাওয়ার পর ল’ম্পট রুহুল তাকে ধ’র্ষ’ণ করে। মেয়েটি চি’ৎকা’র করতে থাকলে তার মুখে কা’পড় চাপা দিয়ে তাকে ধ’র্ষ’ণ করে ল’ম্পট রুহুল কুদ্দুস। এক পর্যায়ে ধ’র্ষ’ণের কথা কারো কাছে বললে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে ওই হাফেজ শিশুটিকে শা’সিয়ে বিদায় দেয়। এই ভ’য়ে শিশু বাড়িতে পরিবারের কাউকে জানাইনি। সম্প্রতি ওই ছা’ত্রী অ’সুস্থ হয়ে পড়লে তার বাবা-মা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। গত ৪ জুলাই নন্দীগ্রাম হেলথ কেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে শিশুটির আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়। ওই রিপোর্টে মেয়েটিকে তিন মাসের গ’র্ভ’ব’তী বলে উল্লেখ করা হয়। এ দিকে এ ঘটনা জানাজানি হলে স্কুল এবং এলাকায় ব্যাপক তেলপাড় ও ক্ষো’ভের সৃষ্টি হয়। দো’ষী ব্যক্তির দৃষ্টা’ন্তমূ’লক শা’স্তির দা’বিতে উত্তা’ল হয়ে উঠেছে পুরে এলাকা। একপর্যায়ে গত ৮ জুলাই গ্রামের মাতব্বর এনামুল হক, এসরাক আলীর নেতৃত্বে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। তবে শিশুর বাবা আব্দুল হালিম রাজি হয়নি। স্কুলছাত্রীর ফুফু মরজিনা বেগম বলেন, মেয়ের বাবা একজন ভটভটি চালক। আমাদের কোনো লোকজন নেই। রুহুল বিত্তশালী হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার ন্যায়বিচার চাই। এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শওকত কবির বলেন, শিশু শিক্ষার্থী অ’ন্ত’সত্বা ঘটনায় মা’মলার প্রস্তুতি চলছে। দুইজনকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য আ’টক করা হয়েছে। রুহুল কুদ্দুসকে গ্রে’ফতার করতে পু’লিশ মাঠে রয়েছে।