রাজশাহীতে নারী আইনজীবীকে ধ’র্ষ’ণে’র অ’ভিযোগে চিকিৎসক গ্রে’প্তা’র

প্রকাশিত: 8:09 PM, July 25, 2020

রাজশাহীতে নারী আইনজীবীকে ধ’র্ষ’ণ করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে আ’টক করেছে পু’লিশ।

ভু’ক্ত’ভোগী ওই নারীর অ’ভিযোগে ওই ডাক্তারকে আটক করে পু’লিশ।

চিকিৎসকের নাম সাখাওয়াত হোসেন রানা (৪০)। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ।

রাজশাহী মহানগর পু’লিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডা. রানার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। তবে ওই নারী অবিবাহিত। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়।

আর চিকিৎসক রানার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর পোরশা উপজেলায়। রাজশাহী নগরীর টিকাপাড়া এলাকায় তিনি ভাড়া থাকেন।

ওই নারী বান্ধবীর সঙ্গে ভাড়া থাকেন নগরীর কোর্ট এলাকায়। তিনি রাজশাহী জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেন। 

ওই নারীর দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ডা. রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। কিছু দিনের মধ্যেই ডা. রানা তার সঙ্গে প্রে’মে’র সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

এরপর একদিন কৌশলে তাকে ধ’র্ষ’ণ করেন এবং সেই ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখেন। তারপর সেই ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ১৭ মাস ধরে তাকে ধ’র্ষ’ণ করা হচ্ছিল।

ওই নারীর বরাত দিয়ে আরএমপির মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে জো’রপূর্বক শা’রীরিক স’ম্পর্ক স্থাপন করতে চান।

এ সময় ওই নারীর বান্ধবী পু’লিশের জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। এছাড়া তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান।

তখন এলাকাবাসী ওই চিকিৎসককে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে রাজপাড়া থানায় নিয়ে আসে। ভু’ক্তভোগী ওই নারীকেও থানায় আনা হয়।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, কিছু ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চিকিৎসক দাবি করছেন, জোর করে নয়।

প্রে’মে’র সম্পর্ক ছিল। তবে এ ঘটনায় থানায় ধ’র্ষ’ণের মামলা হবে। ওই নারী বাদী হয়ে মা’মলাটি দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা দায়েরের পর অ’ভিযুক্ত চিকিৎসককে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হবে।