পাকিস্তানে ক্রিকেট ম্যাচে হঠাৎ সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি

প্রকাশিত: 2:49 PM, August 7, 2020

এক গোলাগুলির কালো অধ্যায় পাকিস্তানের ক্রিকেট টেনেছে প্রায় ১০ বছর। ফের সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গন। করোনাভাইরাসের লকডাউন শিথিল হওয়ার পর খেলাধুলা চালু হলেও, ক্রিকেট মাঠেই সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি সব যেন আবার ওলটপালট করে দিলো।

২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসে সন্ত্রাসীদের গুলির ধাক্কা এখনো বয়ে চলা পাকিস্তানে আবারও ক্রিকেটে আঘাত হানল সন্ত্রাসীদের গুলি। এবার অবশ্য অনেকটা অখ্যাত এক ম্যাচে। পাকিস্তানের পত্রিকা দ্য নিউজের প্রতিবেদন, গতকাল বৃহস্পতিবার খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট বিভাগের ওরাকজাই জেলার দ্রাদার মামাজাই অঞ্চলে আমন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি করেছে।

এমন সন্ত্রাসী হামলার মধ্যে তো আর ক্রিকেট চলতে পারে না! ম্যাচটা পণ্ড হয়ে গেছে স্বাভাবিকভাবেই। তবে সৌভাগ্য সবার, হতাহত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে দ্য নিউজ লিখেছে, ছানায় গ্রাউন্ড নামের মাঠে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে অনেক দর্শকই ছিলেন। এর মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা ছিলেন, সংবাদকর্মীরা তো ছিলেনই। কিন্তু ম্যাচ শুরু হতেই দুঃস্বপ্নের শুরু। মাঠের কাছেই থাকা পাহাড় থেকে সন্ত্রাসীরা মাঠের দিকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে।

গুলি শুরু হতেই খেলোয়াড়, আম্পায়ার, সংবাদকর্মী, দর্শক—যে যেদিকে পেরেছেন, জীবন বাঁচাতে দৌড়াতে শুরু করেন। সৌভাগ্যবশত, পালিয়ে বাঁচতে পেরেছেন সবাই। কারও গায়ে গুলি লাগার খবর এখনো পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে এক দর্শককে উদ্ধৃত করে লেখা, গোলাগুলি এত বেশি হচ্ছিল যে আয়োজকেরা সঙ্গে সঙ্গেই ম্যাচ বাতিল করে দেন।

ওরাকজাই জেলার পুলিশ কর্মকর্তা নিসার আহমাদ জানিয়েছেন, ওই পাহাড়ি অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের আনাগোনার কিছু খবর তাঁদের কানে এসেছিল আগে। পুলিশ এখন সন্ত্রাসী ও অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে।