সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুস সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লন্ডন থেকে বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতির কাছে মায়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ–স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও আছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মতো সেটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত নয়। স্পর্শকাতর বিষয়টিতে বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।’ বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’। জাহিদ হোসেন আরও বলেন, বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে এবং অনুমোদন পাওয়া মাত্র খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যরা ও বিএনপি নেতারা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতার জন্য জাতির কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এদিকে গত ২৮ নভেম্বর থেকে দেশব্যাপী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চলছে সম্মিলিত দোয়া মাহফিল, দেশের অধিকাংশ মানুষ খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত করছেন। ২৮ নভেম্বর শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম সহ দেশের অধিকাংশ মসজিদ সমূহে দুপুরে জুমার নামাজের পরে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়, সেসময় হোসেনী দালান দালান ও মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ সহ সারাদেশের বিভিন্ন শিয়া মসজিদ ও ইমামবাড়াগুলোতেও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীগণ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে সাধারণ শিক্ষার্থীগণ এবং সাদা দলের শিক্ষকদের উদ্যোগে পৃথক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


