আহসান শেখ : গত ০৮ বা ০৯ জুন (মধ্যপ্রাচ্যে ১২ ও ১৩ জিলহজ) মক্কায় কাবাঘরে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে এবছরের পবিত্র হজের সকল কার্যক্রম সমাপ্তি হয়। তার আগে গত ০৫ জুন (মধ্যপ্রাচ্যে ১০ জিলহজ) শুক্রবার ভোরে হজযাত্রীগণ মুজদালিফা থেকে মিনায় ফিরে আসেন ও সেখানে বড় জামারায় পাথর নিক্ষেপ করেন। পরে কুরবানী ও মাথা মুন্ডানো বা হলক্ব / ক্বসরের মাধ্যমে ইহরাম থেকে সম্পূর্ণ হালাল বা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন হজযাত্রীগণ যার মাধ্যমে ইহরামের সমস্ত কাজের সমাপ্তি হয়, লাখো লাখো হজযাত্রীগণ মক্কায় মসজিদুল হারাম পবিত্র কাবা ঘরে তাওয়াফে যিয়ারত বা তাওয়াফে ইফাযা আদায় ও সাফা মারওয়ায় সাঈ করে মিনায় রাত্রিযাপন করেন। ১১ ও ১২ জিলহজ হজযাত্রীগণ মিনায় অবস্থান করেন সেখানে তিন জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন। পরে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বেই মিনা ত্যাগ করে হজযাত্রীগণ মক্কায় ফিরে আসেন ও কাবা ঘরে তাওয়াফে বিদা বা বিদায়ী তাওয়াফ করেন।
বিদায়ী তাওয়াফের একদিন পরে হাজার হাজার হজযাত্রীগণ মক্কা থেকে আস্তে আস্তে বিদায় নিয়ে ছুটে চলেন প্রিয় নবী সাঃ এর শহর মদীনা মুনাওয়ারায়। সেখানে মদীনার পবিত্র মসজিদে নববী, সেখানে থাকা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর রওযায়ে শরীফ যিয়ারত ও জান্নাতুল বাক্বী কবরস্থান জিয়ারত করেন। এদিকে অনেকেই সরাসরি মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে হজ পালন শেষে দুয়েক দিন পরেই ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরতে শুরু করেন। হজপালন শেষে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬ হাজার ৪৬৯ জন হাজি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৮৮ জন আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৪ হাজার ৩৮১ জন রয়েছেন।হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট ছিল ২৯ এপ্রিল আর শেষ ফ্লাইট ৩১ মে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় গত ১০ জুন। এ দিন সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এসভি-৩৮০৩’ ৩৭৭ হাজিকে নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ১০ জুলাই হজযাত্রীদের শেষ ফিরতি ফ্লাইট।


