খামেনি-পেজেশকিয়ান হত্যার টার্গেট করে ব্যর্থ ইসরায়েল

শনিবার রাতে ইসরায়েলের আকাশে আগুনের ঝলকানি ছড়িয়ে পড়ে, যখন পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ইরানের পক্ষ থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়। স্থানীয় সময় রাতেই এই ‘সমন্বিত আক্রমণ’ বা হাইব্রিড হামলা চালানো হয়, যাকে ইরানি সংবাদমাধ্যম এমনভাবে আখ্যা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement

জেরুজালেম, তেল আবিব ও হাইফার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উত্তরাঞ্চলের হাইফায় সাইরেন বেজে ওঠে, রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে বিস্ফোরণের গর্জনে কেঁপে ওঠে চারদিক।

ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী গ্যালিলি ও ক্রায়োট অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে। ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম দাবি করেছে, এই হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্রাগার।

হামলার জেরে ইসরায়েল সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে এবং জরুরি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা বৈঠক আহ্বান করা হয়।

এর আগে ইসরায়েল ড্রোনের মাধ্যমে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহেরের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র ও ফজর জাম রিফাইনারিতে হামলা চালায়। ইরান দাবি করেছে, আগুন দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের জ্বালানি খাতে ইসরায়েলের প্রথম সরাসরি হামলা।

এদিকে, ইরান জানিয়েছে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক আগ্রাসনের কারণে তেহরান-ওয়াশিংটন পারমাণবিক আলোচনা বাতিল করা হয়েছে। ওমানের রাজধানীতে রোববার অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ দফার আলোচনাটি আর হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরায়েল এমনকি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই এবং নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজিশকিয়ানকে লক্ষ্যবস্তু করার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না। পরিস্থিতি এখন আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img